রবিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৮

কবিতা শুদ্ধাচার লেখক নাঈম হোসেন

শুদ্ধাচার

নাঈম হোসেন 

ধর্মীয় বিধান মতে সেই বারো বছরে সাবালক হয়েছি।
তারপর থেকে প্রয়োজন-অপ্রয়োজন কত হেল-দোল জীবন কাটিয়েছি।
ছাত্র জীবনের পড়াশুনা শেষে চাকুরীর পিছু ছুটেছি।
চাকুরী হোক আর না হোক কর্মজীবনে ছুটেছি।

তারপর বিবাহ বন্ধনে বউয়ের প্রণয় চেয়েছি।
কি চেয়েছি? কী পেয়েছি? 
যা কভু চাইনি হয়ত বেমক্কা তা পেয়েছি।
কিন্তু আমার উপর অর্পিত কর্তব্য বেমালুম ভুলে গেছি।

আমার উপর অর্পিত কর্তব্য কী? 
কোরআন -হাদীসের সেই আজ্ঞা ছুঁয়েও দেখিনি।
কেউ উপদেশ দিলেও তাকে দিয়েছি ধমকানি।
অলস জীবনে কোরআন-হাদীস পড়িনি,
ধর্মীয় শিক্ষা পাইনি, 
রোজা-নামাজ পড়িনি।
শুধু অর্থের পিছু ছুটেছি,
কখনও আত্মকথা ভাবিনি,
আত্মশুদ্ধি চাইনি,

যা চেয়েছি,
যা পেয়েছি, 
সব মিছে মায়া! 
মাটিতে বিলীন হবে কায়া ! 

কিছুই হবেনা পরপারের সাথী।
কবর হবে আখেরাতের প্রথম মঞ্জিল, ঘুটফুটে অন্ধকার সেথায় থাকবে না বাতি।
সেদিন থাকবে শুধু ঈমানের জ‍্যোতি।
ফিরে এসো সবে আর না করি কেহ পাপাচার, আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে চাই শুদ্ধাচার।
                  সমাপ্ত।।
রচনাকালঃ ৩ জুলাই ২০২২ইং রোজ রবিবার৷

কবিতা নীরবকান্না লেখক নাঈম হোসেন

নীরবকান্না 

নাঈম হোসেন 

দ্রব‍্য মূল্য দফায় দফায় বাড়ছে
তাই মানুষ নীরবে কাঁদছে।
মধ্যবিত্ত গরীব সবাই হাহাকার করছে
কী খাবে কী করবে নির্জনে ভাবছে?

তেল থেকে নুন 
সবকিছুতে আগুন 
গ‍্যাসের দামও বৃদ্ধি কয়েকগুণ
মরার উপর খাড়ার পা কষ্ট দ্বিগুণ।

গরিবের মাথায় হাত 
পেটে জুটেনা ভাত
ধনীদের আয়েশ তবু স্বর্ণ, রৌপ্য, হিরক, পান্না।
মধ্যবিত্ত করছে হায় হায়, নীরব কান্না।

সইতে না পেরে কেউ সরকারকে দেয় গালি
তা দেখে চামচারদল দেয় হাততালি।
তেল, চাউল সবকিছু গুদামে মজুদ আছে।
অধিক লাভের জন্য ব‍িক্রেতা কৃত্রিম সংকট করছে।

প্রশাসন অভিযান দিয়ে সিন্ডিকেট চক্র ধরছে 
ক্রেতাদের কাছে 
সরকার দাম বাড়াইছে 
এমন মিথ্যা বানোয়াট রটনা করছে।

সিন্ডিকেট চক্রের নির্মূল চাই 
নীরব কান্না আর না
গরীব মোরা বাঁচতে চাই 
অপরাধীদের ছাড় না।
           সমাপ্ত।।
রচনাকালঃ ১২ মার্চ ২০২২ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

কবিতা সংমিশ্রণ লেখক নাঈম হোসেন

 

সংমিশ্রণ 
নাঈম হোসেন 

সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণ,
ইসলাম পুরোপুরি করছে বারণ।
মুসলিম মোরা যদি চাই ধর্মীয় জীবন-যাপন, 
সত্যের বৈ নেই কিছু মিথ্যা করব বিতাড়ন।

যারা সত্যের বিপরীতে মিথ্যা প্রচার করছে। 
তাদের সম্পর্কে সুরা আনকাবূত তিন ও চার অহীতে আছে,
আল্লাহ অবশ্যই জেনে নিবেন সত্যবাদীদেরকে।
নিশ্চয়ই জেনে নিবেন মিথ্যুকদেরকে। 

যারা মন্দ কাজ করছে, 
তারা নিজেদেরকে কি মনে করছে ?
তারা আমার হাত থেকে বেঁচে যাবে?
তাদের ফায়ছালা খুবই মন্দ’ হবে।

মায়েদাহ একশত আয়াতে আল্লাহ বলেন ;
হে নবী লোকদেরকে বলেদিন!
অপবিত্র ও পবিত্র সমান নয়।
যদিও অপবিত্রের প্রাচুর্যে বিস্মিত হয়।
হে বুদ্ধিমানগণ! আল্লাহকে ভয় পাও। 
যদি তোমরা মুক্তি চাও?

আয়াত বাষট্টি সূরা আলে ইমরান।
‘নিঃসন্দেহে এটাই হ’ল সত্য ভাষণ।
এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নাই।
তিনিই পরাক্রমশালী মহাপ্রাজ্ঞ জেনে নাও সবাই ।

অন্যত্র মহান আল্লাহ ফরমান;
এটাই প্রমাণ যে আল্লাহই সত্য।
আল্লাহ ছাড়া তারা যাদের পূজা করে সব অসত্য ।
আল্লাহ সর্বোচ্চ মহান।
ওহীনামা ত্রিশ সূরা লোক্বমান।

একই ভাবার্থে পুনরায় আল্লাহ সূরা হজ্জ ওহী বাষট্টিতে ফরমান;
আল্লাহই সত্য।
তাঁর পরিবর্তে তারা যাকে ডাকে, তা অসত্য। 
আল্লাহই সবার উচ্চে, মহান।

আয়াত তেত্রিশ সূরা যুমার আল্লাহ বলেছে;
যারা সত্য নিয়ে আগমন করেছে,
এবং সত্যকে সত্য মেনে নিয়েছে,
তারাই তো আল্লাহভীরু।
তাদের দেখে ঈমান হয় জাগ্রত! হয় অশ্রুনীর।

সত্যের অনুকূলে মহান আল্লাহ আরও বলেন,
স্বীয় নির্দেশে আল্লাহ সত্যকে সত্যে পরিণত করেন।
যদিও পাপীদের তা মনঃপূত নয়।
সূরা ইউনুস বিরাশি ওহীতে আল্লাহ একথা  কয়।

সূরা আন‘আম একুশ আয়াতে পাবে;
যে আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিবে,
অথবা তাঁর নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলবে, তার চাইতে বড় যালেম আর কে হবে ? নিশ্চয়ই যালেমরা সফলকাম নহি হবে।

আল ইমরান চুরানব্বই আয়াতে আল্লাহ বলেছে ,
অতঃপর যারাই আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরপ করেছে,
তারাই যালেম, সীমালংঘনকারী হয়েছে।

সূরা আনকাবূত আটষট্টি ও উনসত্তর আয়াত বলে,
যে আল্লাহর সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলে,
অথবা তার কাছে সত্য আসার পর তাকে অস্বীকার করে চলে,
তার স্মরণ করা উচিত নয় কী?
যে জাহান্নামই সে সব কাফেরের আশ্রয়স্থল হবে।
আর যারা তাঁর পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করবে ,
আল্লাহ অবশ্যই তাদেরকে তাঁর পথে পরিচালিত করবে।
নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎ কর্মপরায়ণদের সঙ্গী হবে। 

সূরা মুমিনূন আয়াত চুয়াল্লিশ আল্লাহ ঘোষণা করেছে;
আমি একাদিক্রমে রাসূল প্রেরণ করেছি।
যখনই কোন উম্মতের কাছে,
তাঁর রাসূল আগমন করেছে,
তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি।
এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি।
সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা’ 
আল্লাহ সম্পর্কে বানোয়াট রটনা করছে যারা।

সূরা আন‘আম উনপঞ্চাশ নং আয়াতে রবের ঘোষণা জেনে নিবে;
আল্লাহ বলেন, যারা আমার নিদর্শনাবলীকে  মিথ্যা বলবে, 
তাদেরকে তাদের নাফারমানীর কারণে আযাব স্পর্শ করবে।

মিথ্যাবাদীদের সন্বোধন করে আল্লাহ বলেন,
‘হ্যাঁ, তোমার কাছে আমার নির্দেশ এসেছিলে।
অতঃপর তুমি তাকে মিথ্যা বলেছিলে,
অহংকার করেছিলে 
এবং কাফেরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিলে।
যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করবে,
ক্বিয়ামতের দিন তাদের মুখ কালো দেখবে।
অহংকারীদের আবাসস্থল জাহান্নাম হবে।
সূরা যুমার উনষাট ও ষাট আয়াতে একথাগুলো পাবেন।
একই বিষয়ে পুনরায় বর্ণিত হয়েছে,
নিশ্চয়ই যারা কুরআন আসার পর তা অস্বীকার করছে,
তাদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনার অভাব রয়েছে।
এটা অবশ্যই এক সম্মানিত গ্রন্থ। 
যা সকলে মেনে নিতে পারেন নিঃসন্দেহ।
এতে মিথ্যার প্রভাব নেই,
সামনের দিক থেকেও নেই 
পিছন দিক থেকেও নেই। 
এটা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।
যা অনুসরণ করে জীবন হবে সবার ধন‍্য।

আল্লাহ তাঁর নবীকে আরও বলেন ;
হে নবী! ওরা যাকিছু বলছে আপনাকে,
তা বলা হ’ত পূর্ববর্তী রাসূলগণকে।
নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তার কাছে ক্ষমা
রয়েছে 
এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিও রয়েছে।
সূরা হা-মীম-সাজদাহ একচল্লিশ ও তেতাল্লিশে একথা ঘোষণা দেন।

মিথ্যাবাদীদের উদ্দেশ্যে করে,
আল্লাহ সূরা আন‘আম ১১৫-১১৬ আয়াতে ঘোষণা করে;
হে নবী! আপনার প্রতিপালকের বাক্য পূর্ণ সত্য ও মানানসই।
তাঁর বাক্যের কোন পরিবর্তনকারী নই।
শ্রবণকারী ও মহাজ্ঞানী একমাত্র আল্লাহই।

আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, 
তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দিবেন।
তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে
এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা রটনা করে।

সূরা ইউনুস একশত আট আয়াতে আল্লাহর ঘোষণা হচ্ছে-
হে মানবকূল! সত্য তোমাদের কাছে পৌঁছে গেছে।
এখন যে কেউ সত্য পথে আসে সে পথপ্রাপ্ত হয় স্বীয় মঙ্গলের জন্য।
যে বিভ্রান্ত ঘুরতে থাকে, সে বিভ্রান্ত অবস্থায় ঘুরতে থাকবে স্বীয় অমঙ্গলের জন্য।
হে নবী! আপনি বলুন, যে আমি তোমাদের উপর অধিকারী নই।
অতএব সৎপথে চলো, সৎকর্ম করো ও পড়ো আল কোরআন বই।

হে মানব জাতি! শোন; সূরা বাক্বারাহ আয়াত  বিয়াল্লিশ এর ঘোষণা!

তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না।
আর জানা সত্ত্বেও সত্যকে গোপন করো না।
সূরা তওবাহ একশত ঊনিশ আয়াতে আল্লাহ করেন ঘোষণা;
ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় করতে থাক
এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক।

সূরা বনী ইসরাঈল একশত পাঁচ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, আমি বলেছি;
আমি সত্যসহ এ কুরআন অবতীর্ণ করেছি
এবং সত্যসহই এটা অবতীর্ণ হয়েছে।
আমার দোস্ত মোহাম্মদ তা সবার কাছে প্রচার করছে।
আমি তো আমার নবীকে শুধু সুসংবাদদাতা করে পাঠিয়েছি।
এবং ভয়প্রদর্শক করেই প্রেরণ করেছি।

মহান আল্লাহ সূরা আ'রাফ আয়াত নং একশত উনআশিতে বলেন;
আমি সৃষ্টি করেছি জাহান্নামের জন্য বহু জিন ও মানুষ।
তাদের বিবেক-বুদ্ধি রয়েছে,
তারা সবকিছু বোধগম্য নয়তো বেহুঁশ।
তাদের অন্তর রয়েছে,
কিন্তু তার দ্বারা বিবেচনা করে না।
তাদের চোখ রয়েছে, 
কিন্তু তার দ্বারা তারা দেখে না।
তাদের কান রয়েছে,
কিন্তু তার দ্বারা তারা শোনে না। 
তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত,
বরং তাদের চেয়েও ঘৃণিত।

তারাই হ’ল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।

একই বিষয়ে সূরা সাজদা আয়াত নং তেরো আল্লাহ বলেন,
আমার এ উক্তি অবধারিত সত্য,
আমি জিন ও মানব সকলকে দিয়ে অবশ্যই জাহান্নাম পূর্ণ করব।

সূরা রূম ষাট নং আয়াতে আল্লাহ তাঁর নবীকে বলেন , 
আপনি ছবর করুন!
আল্লাহর ওয়াদা সত্য।
যারা বিশ্বাসী নয়, তারা যেন আপনাকে বিচলিত করতে না পারে।
আপনি অটুট থাকবেন আল্লাহর তরে।

সূরা বাক্বারাহ একশত সাতচল্লিশ নং আয়াতে আল্লাহ ঘোষণা করেন ;
বাস্তব সত্য সেটাই যা আপনার পালনকর্তা বলেন। 
কাজেই আপনি সন্দিহান হবেন না।

সূরা লোক্বমান তেত্রিশ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন,
হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর।
এবং এমন এক দিবসকে ভয় কর,
যখন পিতা পুত্রের কোন কাজে আসবে না।
এবং পুত্রও তার পিতার কোন উপকার করতে পারবে না।
নিঃসন্দেহে আল্লাহর ওয়াদা সত্য।
অতএব পার্থিব জীবন যেন,
তোমাদেরকে ধোঁকা দেয় না।
এবং আল্লাহ সম্পর্কে শয়তান যেন তোমাদেরকে প্রতারিত করে না।

এসো সবে সত্যের জন্য করি লড়াই, মিথ্যা করি বর্জন।
নীতি নৈতিকতা না বিকিয়ে করি সমর্থন।
সত্যের সঙ্গে মিথ্যা না করি সংমিশ্রণ।
আল্লাহকে ভয় করি, পরকালের জন্য করি নেকী অর্জন।
সমাপ্ত।।
রচনাকালঃ ১৯ জুলাই ২০২২ইং রোজ মঙ্গলবার।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

স্মরণ কথা লেখক নাঈম হোসেন

স্মরণ কথা- 

 নাঈম হোসেন  ৷ 

Freelancing কোর্স করতে এসে খুবই ভালো লাগছিলো ৷ চোখের পলকেই যেন সময়টা শেষ হয়ে গেলো ৷ 

পরীক্ষা দিয়েছিলাম ব্যাচের সবাই সাকসেস হয়েছি ! আলহামদুলিল্লাহ ৷ সবাই চলে গেছে ৷ 

সারাদিন মনটা বিষম খারাপ লাগছিলো ৷ ৭ নং pc তে পরীক্ষা দিয়েছিলাম ৷ অনেক্ষণ সেখানে চুপচাপ বসে ছিলাম ! জীবনের শেষ পরীক্ষা হবে হয়তো তাই অনেকটা মায়া হয়েছিলো pc টার প্রতি ৷ 

একটা গভীর ধ্যানে ছিলাম ৷ চোখ থেকে সহসা অশ্রু নির্গত হচ্ছিলো ৷ সামনে আমাদের ব্যাচের মিজান ভাই বসা ছিলো খেয়াল ছিলো না ৷ 

কী একটা বিষয় নিয়ে গভীর ধ্যানে ছিলাম ৷ হ্যাঁ মনে পড়েছে ৷ অতীত স্মৃতি ! শৈশব কল্পনায় প্রবেশ করেছিলাম ৷ মিজান ভাই ব্যাপারটা কিছুটা উপলব্ধি করেছিলো দেখতে পাইনি ৷ ভাবছিলাম কেউ নেই অজর ধারায় কান্না আসছিলো কেন তা জানিনে ৷ হ্যাঁ মনে পরেছে ৷ একাধিক প্রতিষ্ঠানে পড়েছিলাম কারণ এক প্রতিষ্ঠানে একটা ক্লাসের বেশী পড়তে কখনো মন বসতোনা ৷ জীবনে অনেক গুলো ক্লাস পার করে শিক্ষা জীবনের ইতি টেনেছিলাম সেই ২০১০ সালে ৷

 কিন্তু এখনও মনে হচ্ছেনা যে , আমি শিক্ষা জীবন থেকে দূরে আছি ৷ স্যারদের রাগাতে বেশ পছন্দ করতাম আর বোকামির ভান ধরাটা হচ্ছে আমার একটা শৈশব মুদ্রাদোষ ৷ যাহোক , সামনে বেশী বাড়াবনা , সংক্ষেপে ইতি-রেখায় প্রবেশ করতে চাই ৷ 

স্যারদের প্রতি যথেষ্ট ভক্তি করতাম ৷ কিন্তু বোকামির ভানের কারণে হয়তো অনেক স্যার আমাকে ভুল বুঝে উল্টো দৃষ্টিতে দেখতো ৷ 

যাহোক , অনেকটা বছর পর Freelancing কোর্সটা খুব ভালো লাগছিলো ৷ ভাবতেও পারিনি এতো তাড়াতাড়ি কোর্সের সময়টা শেষ হয়ে যাবে ৷ তবে হ্যাঁ সত্যি কথাটা বলতে ভুলেই গিয়েছলাম ৷ 

freelancing কোর্সে এসে শৈশব শিক্ষার বিপরীত কিছু স্যারদের পেলাম ৷ এখানকার স্যারদের দেখে মনে হলো , তাঁরা আমাদের শুধু একজন শিক্ষাগুরুই নন৷ তাঁরা আমাদের জীবন চলার পাথেয় ও একজন ভালো গাইড লাইন এবং অভিভাবক-ও বটে ৷

 রোজ সকাল হলেই ইচ্ছা করবে ট্রেনিং সেন্টারে যেতে- কিন্তু আমাদের কোর্সতো শেষ, আর কি যেতে পারব ? বা, যাওয়াটা কি ঠিক হবে ? বিখ্যাত কবিদের সেই বিখ্যাত লেখাগুলো তখন হঠাত্‌ মনে পড়তেই হাউমাউ করে কান্না আসছিলো ৷

যেতে নাহি দিবো হায় ! 
তবুও যেতে দিতে হয় ৷ 
তবু তারা চলে যায় ৷
সময়ের সাথে সাথে মানুষের রুপ পাল্টায়৷ 

ব্যচের মিজান ভাই , 
নোমান ভাই, 
রাফি ভাই ৷ 
আব্দুর রহীম ভাই ! 
কলন ভাই ! 

এবং পরের ব্যচের -
তানবীর ভাই , 
তাওহীত ভাই ,
কমল ভাই,
ওমর ফারুক ভাই ৷ 
মেহরাব হোসেন স্বপনীল ভাই ! 
ঝিকো রায়হান ভাই ! 

যাদেরকে আমি সবসময় একাধীকবার এটা-সেটা জিজ্ঞেস করে বিরক্ত করতাম ৷ কারণ css , navigation, slider cod গুলো একটু কম বুঝতাম তাই! তবে কেউ বিরক্ত হতোনা ৷ সবাই খুবই হেল্পফুল ছিলো ৷ সবাইকেই অনেক অনেক মিস করব৷ এদের মতো ভালো ক্লাসমেটদেরকে, শিক্ষা জীবন থেকে অনেক ক্লাসমেট হারিয়েছি ৷

 তবে আমাদের তৃতীয় এবং চতুর্থ ব্যচের সবাই খুবই মেধাবী এবং ভালো students. ও সবাই পরস্পর হেল্পফুল ৷ আর সবাই আমাকে মামা -মামা বলে অনেক মজা করে ডাকত ৷ কারণ , স্যারদের ভাগিনা ছিলাম আমি সেই সুবাধে ৷ 

আর যে যে দৃষ্টিতেই দেখুকনা কেন , আমি কখনও , কারও প্রতি মাইন করিনি ৷ কয়েকটা মাস , এই সাময়িক স্বল্প সময়ে সবার ব্যবহারে সত্যিই আমি অনেক অনেক মুগ্ধ শিক্ষা জীবনের শেষ ক্লাসটা - ১-১১-২০১৮ হয়তো এটাই হবে ৷

 হয়তো, কারও সাথে আর দেখা বেশী হবেনা ! কিন্তু স্মৃতিগুলো সারাজীবন অমর হয়ে থাকবে ৷ ইন্টার মিডিয়েটে পড়ার সময় এরকম কয়েজনকে পেয়েছিলাম - মনির ভাই , জুয়েল ভাই , তাদেরকেও হারিয়েছি ! শুনেছি তারা খুবই ভালো জব করতেছেন ৷ অনেকেই কলেজের অধ্যাক্ষ্য ও প্রবাসক হয়েছেন ৷ আমার মতো হতভাগ্য কেউ হয়নি ৷ সবাইকেই হারালাম ৷

 Freelancing কোর্স থেকেও হয়তো মুরাদ স্যার , রাশেদ স্যার ও ইসমাঈল স্যার , এবং ওবাইদুল স্যার, যারা দিনরাত সারাক্ষণ আমাদের ভালো একজন দক্ষ profesonal freelancher বানাতে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করেছেন ৷ 

তাদেরকে কি ভাষা দিয়ে সাধুবাদ জানাতে হয় , সে আমার জানা নেই ৷ আমি কোনো সুপার স্টার লেখক নই ৷ তবু বলছি, তাদের এই ঋণ কখনই শোধ করার নয় ৷ সকল অবিধান তন্ন-তন্ন করে খুঁজেও , এই মহান অভিভাবকদেরকে সাধুবাদ জানানোর ভাষা খুঁজে পেলুমনা ৷ তবে হয়তো আমার এই শিক্ষা জীবেনর শেষ কোর্সের শিক্ষাগুরুগণ সবাই ইতিহাসে চির অমর থাকবেন ৷ 
একদিন হঠাত্‌ এভাবে সবাইকে পর করে আল্লাহ্‌র ডাকে সারা দিয়ে সবাইকেই চলে যেতে হবে ৷ দুনিয়ার মোহ এসবই হচ্ছে মায়ার বন্ধন বৈ আর কী ? 
লেখকের লেখা আরও পড়ুনঃ 

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

বাণী নাঈম হোসেন 

পঁইছি কেনার টাকা নেই তোর ! 
বিয়ের স্বপ্ন কেন দেখিস বর ? 

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

বাণী লেখক নাঈম হোসেন 

মানুষ হয়েও যদি কোন মানুষের বিবদ দেখে কেউ এগিয়ে না আসে , তার ইবাদত আল্লাহ্‌ কবুল করলেও , বিপদগ্রস্থ   ব্যাক্তি কস্মিনকালেও তাকে ক্ষমা করবেনা ৷ 
বিপদগ্রস্ত অথবা মজলুমের ডাকে যারা সাড়া দেয়না তারা মানুষরূপী মুখোশধারী শয়তান ৷ তাদেরকে সদা এড়িয়ে চলাই উত্তম ৷ 

বাণী লেখক নাঈম হোসেন



 বাণী লেখক নাঈম হোসেন 

নষ্ট মানসিকতা শুধু একজন ব্যক্তিকে নয় বরং একটা জাতি, একটা দেশ ও একটা সমাজকেও ধ্বংস করে দিতে পারে ৷
নষ্ট মানসিকতার লোকগুলো দেশ , সমাজ ও জাতির জন্য অভিশাপ  
সৎ-চরিত্রবতী মেয়েরা হচ্ছে গহনার মতো , তাঁদেরকে সতত যত্ন করে রাখতে হয় ৷

বাণী - লেখক নাঈম হোসেন

বাণী লেখক নাঈম হোসেন 

কিছু লোকের জন্মই হয়ছে , সংগ্রাম করার জন্য , তারা সংগ্রাম করে আল্লাহ্‌র জন্য , তাঁরা মারে নিজেরাও মরে শহীদ হয় ৷ 

মৃত্যুের জন্য যে সবসময় প্রস্তুত তাঁর আবার মৃত্যুের ভয় কীসের ? শহীদ হওয়ার শপথ করেই আমরা মায়ের উদর থেকে পৃথিবীতে পা রেখেছি- 
আমরা চলে যাওয়ার জন্য আসিনি , তোমাদের শেষটা দেখার জন্য নীরবতা পালন করিতেছি বলে, ভেবোনা আমরা ভীত শঙ্কিত ! বরং আমরা আমাদের প্রতিজ্ঞায় অবিচল আছি থাকবো ৷ খুব শীঘ্র ঘোর-অমানিশা কেটে যাবে ৷ তখন তোমারা আফসোস করবে , বাকীটা হবে ইতিহাস ৷ 

বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

বাণী- লেখক নাঈম হোসেন               


আমি সমাজকে নয় , তোমাকে ভালোবেসেছিলাম ! নিন্দুকের সমস্ত  নিন্দা সর্বোঙ্গে মেখেও চাতক পাখির মতো তোমার পানে আজও তাকিয়ে আছি ........? 
কারণ ; আমি তোমকে ভালোবাসি I Love you.
অসামাপ্ত ভালোবাসা ৷ মোহাম্মদ নাঈম হোসেন 

বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

বাণী - 

আমি সমাজকে নয় , তোমাকে ভালোবেসেছিলাম ! নিন্দুকের সমস্ত  নিন্দা সর্বোঙ্গে মেখেও চাতক পাখির মতো তোমার পানে আজও তাকিয়ে আছি ........? 
কারণ ; আমি তোমকে ভালোবাসি I Love you.
অসামাপ্ত ভালোবাসা ৷  

আরও পড়ুনঃ 


দুই
কতটা ভালোবেসেছি তোমাকে তা বুঝানোর ভাষা পেলামনা গোটা অবিধান তন্ন-তন্ন করে
খুঁজেও !

 কথা ছিলো পরিস্থিতি যতই ঘোলাটে হোক , তুমি চলে যাবেনা । 
কিন্তু সেই তুমিই, কথা রাখলেনা ৷
আর আমি ?

 আমি আজও তোমাকে পাগলের মতো ভালোবাসি I Love you . 
 উপন্যাস অসমাপ্ত ভালোবাসা ৷
 

শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

বাণী - লেখক নাঈম হোসেন 

ইপটিজিং , হত্যা ও ধর্ষণ থেকে মুক্তির জন্য নারী সমাজকেই জাগ্রত এবং ঐক্য হতে হবে ৷ 
নীরব কান্না নয় বরং অপরাধী ও নষ্ট মানসিকতার পুরুষকে উপযুক্ত শাস্তির জন্য , সমাজের প্রতিটি স্তরে একটা করে নারীদের ঐক্য ফোরাম গঠন করতে হবে ৷
এবং এর জন্য নারী সমাজকেই উদ্বেগ নিতে হবে ৷
 

কবিতা জগাখিচুড়ি লেখক নাঈম হোসেন

জগাখিচুড়ি

নাঈম হোসেন 

আফসোস আজ
বিশ্ব আলেম সমাজ
হয়ে গেল জগাখিচুড়ি !

ধর্ম বিরোধীরা তাই সুযোগ পেল ,
ইসলামের অপকলঙ্ক ,
নিত্যানন্দে তাই ওরা বাড়িয়ে দিল ৷

ওরা অবজ্ঞা করছে ইসলাম ৷
অপদস্থ হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম ৷
ওরা হীয়মান করে দেখছে ইসলাম ও মুসলিম ৷

ওরা মুসলিমদের অপমান করে
করছে সহস্রাধিক সেনচুরী ৷
নীরব কেন ? ওহে বীর মুসলিম !
তুমি বিশ্ব বিজয়ী বীর মুসলিম !

ইমানী হিম্মৎ নিয়ে আরেকবার জেগে ওঠো তুমি !
চির ঐক্যের বিশাল ঝাণ্ডা নিয়ে আরেকবার ফিরে এসো তুমি !

ভেঙে ফেলো সকল বাঁধা ,
মোরা মুসলিম ঐক্য সদা।
ছিনিয়ে আনতে হবে  ইসলামী বিজয়ী নিশান ৷

মনে রেখ,  মুসলিম তুমি !
তোমার সাহায্যকর্তা যথেষ্ট
এক আল্লাহ সুমহান ৷

তোমার মস্তক চির উন্নত , 
তুমি নয়তো কাপুরুষ,ভীত ৷
বিপ্লবী বীর তুমি !
ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে চির আবদ্ধ তুমি !
গর্বিত আখেরি নবীর উম্মত তুমি ! 

কিসের তোমার ভয় ?
স্বয়ং আল্লাহ্‌ই যখন তোমার সহায় !

তোমরা বিপ্লবী বীর চার খলিফাদের উত্তরসূরি!
তোমাদেরকে করজোড় অনুরোধ করি !
তোমরা আর থেকোনা , জগাখিচুড়ি ৷

তবেই তোমরা ফিরে পাবে বিজয়ী নিশান !
ফের পাবে তোমরা ঐতিহ্যের সম্মান ৷
       সমাপ্ত।।
রচনাকালঃ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

 Note-

✎সব মানুষের হৃদয়েই গোপনীয় কিছু জটিল কষ্ট লুকিয়ে থাকে ,
তা কখনোই কারও সঙ্গে শেয়ার করা যায়না । আবার সহ্য করাও কষ্টকর ।
তবুও কারও সঙ্গে বলতে নেই ।
কারণ , চারপাশের মানুষগুলো হচ্ছে এমন , কষ্ট শুনে কাঁটা গায়ে লবণ ছিটিয়ে দিয়ে বিদ্রুপ করে ।
এগুলো একমাত্র জগদ্বীশ্বর সৃষ্টি কর্তার সঙ্গেই নির্জনে চোখের অশ্রু ফেলে শেয়ার করতে হয়।
কারণ তিনিই সর্ব ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি কাউকে কষ্ট দেননা মানুষের অসহ্যনীয় । 

কবি পরিচিতঃ

Add caption
কবি পরিচিত:  

নাম : মোহাম্মদ নাঈম হোসেন  ৷ জন্ম : ২০ মার্চ ১৯৮৯ ইংরেজী৷ পিতার নাম : মৃত হাফেজ মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ্৷ মাতার নাম: মোসাম্মাৎ মোর্শেদা বেগম ৷ গ্রাম- ঝাটিবুনিয়া, ওয়ার্ডনং -4, পোস্ট- সাপলেজা, থানা : মঠবাড়ীয়া , জিলা: পিরোজপুর , বিভাগ : বরিশাল ৷

 সখ: জিহাদের ময়দানে জীবনের শেষবিন্দু রক্ত উৎস্বর্গ করে ইসলাম ও স্বদেশের জন্য শহীদি মৃত কামনা ৷ 
স্মরণীয় বাণী- নিজেকে সৎ হিসেবে গঠন করো ৷ তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি দরজা দিয়ে স্বর্গীয় সুখ বিরাজ করবে ৷
Mobile No: 01726102715.
 সমাপ্ত ৷৷

বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কবিতা সত্বান্বেষী লেখক নাঈম হোসেন

সত্যান্বেষী

নাঈম হোসেন

তুমি সত্যান্বেষী  !
তুমি উদারমনা !
তুমি বীর ! তুমি বহমান!

তুমি সত্যের সৈনিক !
তুমি সাংবাদিক
মাহমুদুর রহমান।

ভাই তুমি যতটা উদারমনা !
আর যেভাবে সত্যের পথে করছ লড়াই !

কবি গর্বিত !
তোমার ন্যায় আচরণে কবি বশীভূত।

তোমাকে নিয়ে তাই
কবি করছে বড়াই৷

সত্যের পথে
অন্যায়ের প্রতিবাদে
তুমি থেক সদা অবিচল৷

সতত করি ফরিয়াদ ,
আল্লাহর কাছে তুলে দু'হাত
তোমাকে দেয় যেন আবেহায়াত।
সবকাজে  করে যেন সফল!

তুমি কলম সৈনিক হয়ে
সত্যের পথে লড়ে যাও অবিরাম৷
আল্লাহ্‌ সহায়ক তোমার
তুমি মনমরা হয়োনা ,
ন্যায় পথেই তুমি পাবে আরাম!

তোমার মতো কলম সৈনিক পেয়ে 
কবি গর্বিত৷
তুমি নন্দিত ,
হবে চিরনন্দিত ৷
সত্যের পথে এগিয়ে চলো
তুমি কভু হয়োনা ভীত ৷

প্রতিটি মায়ের উদরে জন্ম হয় যেন ,
তোমার মত উদারমনা সহস্র কলম -সৈনিক !
প্রভুর দরবারে তোমার জন্য 
কবির এই প্রার্থনা থাকবে প্রত্যহ দৈনিক ৷

পর উপকারে সকল সাংবাদিক ভাই
সদা  হও আগুয়ান ৷
কলম দিয়ে তোমরা সত্যের পথে করে যাও
দুর্বার আন্দোলন!

সাংবাদিক তোমরা প্রত্যেকে হও সত্যান্বেষী
করে যাও সত্যানুসন্ধান ৷
তোমরা প্রত‍্যেককে হও আনিসুল হক, রোজিনা, মাহমুদুর রহমান।

অন্যায়ের সকল নিগড় ভেঙে
তোমরা করে যাও
সদা সত্যেকে উন্মোচন!
  সমাপ্ত।।
রচনা কাল : ১০ জুন ২০১৬ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন


Add caption
 Note: One

☞জীবন যুদ্ধের প্রতিটি সিঁড়ি যে এতো কঠিন , কেটে উঠা বা ধৈর্য ধারণ করার মতো শক্তি মাঝেমধ্যে হারিয়ে যায় ।
জীবনটাকে যখন একদিক দিয়ে পরিপাটি করা সম্পূর্ণ হয়, ঠিক তখনই অপরদিক দিয়ে নতুন একটা ভয়ানক ঝর এসে ত্রাস লাগিয়ে দিয়ে মূহুর্তেই সবকিছু ভেঙে চূর্ণ হয়ে যায় ।
তখন বেঁচে থাকার সাহস টুকুও আর থাকে না । এ কেমন অদ্ভুত জীবন । 


বাণী লেখক নাঈম হোসেন


 Note: 
মানুষের শত্রু কোনো পশু পাখি নয়। পশু , পাখি , তরুলতা এরা হচ্ছে মানুষের প্রকৃত বন্ধু ।
মানুষের পরম শত্রু হচ্ছে মানুষ ।
আবার মানুষই হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে প্রিয়জন।
কিন্তু মানুষের কারও মধ্যে যখন পশু স্বভাব প্রবেশ করে তখন আর সে মানুষ থাকেনা ।
সে হয়ে যায় বন্য মানুষ । 


তখন তার প্রতিটি কর্মই হচ্ছে সমাজের পরতে পরতে ক্ষতি করার কামনা ।
মনুষ্য সমাজের এক শ্রেণি আছে সামান্য একটু বিষয় নিয়েই মহাক্ষ্যাপা হয়ে যুদ্ধের ডঙ্কা বাজায় এরা মানুষ নয়। এরাই হচ্ছে প্রকৃত পশু ।

 আর আমাদের পরিবেশের পশু সমাজ হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে উপকারী বন্ধু । 

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

Add caption

Note: One-

ভালোবাসার প্রতিটি সিঁড়িই বিষাক্ত কাঁটা দিয়ে গড়ানো ।
তাই সবাই সেই সিঁড়িতে প্রবেশ করতে পারেনা ।
একমাত্র অসীম সাহসী এবং প্রবল ধৈর্যশীলরা ব্যতীত । 
দুর্বল মনের মানুষগুলো প্রবেশ করলেও বেশিক্ষণ স্থির থাকতে পারেনা ।

Note: Two-

ভালোবাসার মহা সমুদ্রে সবাই সাঁতার কেটে তীরে পৌঁছতে পারে না । যাঁরা পারে তাঁরাই সৌভাগ্যবান । এদের সংখ্যা পৃথিবীতে অনেক কমই হয় ।
কারণ ভালোবাসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধৈর্য , একটু হোচট খেলেই হাজার বছরের ভালোবাসাও মুহূর্তেই সমাপ্তি হয় ।

বাণী- লেখক নাঈম হোসেন



 Note: One.


  •  ভালোবাসার পুষ্প বাগিচায় প্রবেশ করার পূর্বে , ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করার যত্ন নেওয়ার আসবাবপাত্র সঙ্গে নিয়ে যাও।
    কারণ আমি তোমাকে ভালোবাসি বা I Love You কথাটা হুঁট করে সবাই মুখে উচ্চারণ করতে পারে কিন্তু শেষমেষ কদরসহ টিকিয়ে রাখার লোক খুব কমই হয়।

 Note: two.


 সত্যিকারের প্রেম মানুষকে স্বর্গের উচ্চতর আসনে পৌঁছে দিতে পারে।
আবার নরকের নিকৃষ্টতম স্থানে পৌঁছে দিতে পারে ।

দুটোর যেকোন একটাই আপনার জন্যে উম্মুক্ত , এখন আপনি কোনটাতে প্রবেশ করতে চান সেটা আপনার মানসিকতার উপর নির্ভর করবে ।

 Note-Three


সব মানুষের হৃদয়েই গোপনীয় কিছু জটিল কষ্ট লুকিয়ে থাকে ,
তা কখনোই কারও সঙ্গে শেয়ার করা যায়না । আবার সহ্য করাও কষ্টকর ।
তবুও কারও সঙ্গে বলতে নেই ।
কারণ , চারপাশের মানুষগুলো হচ্ছে এমন , কষ্ট শুনে কাঁটা গায়ে লবণ ছিটিয়ে দিয়ে বিদ্রুপ করে ।
এগুলো একমাত্র জগদ্বীশ্বর সৃষ্টি কর্তার সঙ্গেই নির্জনে চোখের অশ্রু ফেলে শেয়ার করতে হয়।

কারণ তিনিই সর্ব ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি কাউকে কষ্ট দেননা মানুষের অসহ্যনীয় ।

কবিতা অভিলাষ(দুই)

অভিলাষ(দুই)

নাঈম হোসেন 

এমন স্বদেশপ্রেমিক আমি চাই - 
যাঁদের স্বদেশ রক্ষায় জীবন দিতে , 
কোন অজুহাত নাই ৷ 
এমন দেশপ্রেমিক আমার দেশেতে,
একজনও কী নাই?

এমন কোরআনপ্রেমিক  আমি চাই- 
যাঁদের জিহাদের ময়দানে সেচ্ছায় জীবন দিতে, 
কোন ভয় নাই  ৷ 
এমন কোরআনপ্রেমিক আমার দেশেতে,
একজনও কী নাই?

এমন একদল মুসলিম তরুণ আমি চাই।
যাঁদের ঈমানী হিম্মত দেখে নাস্তিকরা সবাই , 
ভয়ে পালাই পালাই।
ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করবে সেই , 
সাহস কারো নাই৷ 

এমন একদল দুর্জয় তরুণ আমি চাই- 
যাঁরা দেশ ও জাতি রক্ষায় , 
সদা অটল ,অনড় আরও থাকবে অভয় ৷ 
এমন অদম্য সাহসী যুবক ,যে সতত থাকে নির্ভয়৷ 
এমন সাহসী যুবক কি একটিও নাই?

এমন একদল সাহসী সৈনিক কী,
আমার স্বাধীন বাংলাদেশে নাই ? 
তবে ,এত কেন ,সহস্রাধিক মা-বোন ধর্ষিতা হচ্ছে ,বলো ভাই ? 
মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষায় তরুণ সৈনিক কি , 
তোমরা কেউ নাই ? 

আমার দেশে কি এমন বীর শাসক কেউ নাই?
যে করবে কোরানের রাজ্য গঠন ও শাসন,
যে হবে ঈমানী শক্তিতে,সদা তেজিয়ান ৷
মুসলিমদের রক্ষায় যে করবে আত্মদান।
এমন শাসক দেশ সেবায় একজন চাই।

ঐ যে,ঐ শোন; কাঁদছে,
ইসরাঈল,কাশ্মীর!
ঐ যে ,ঐ দেখ; নদীতে ভাসছে, 
অসংখ্য লাশ মায়ানমার ৷ 
আফগান ,ফিলিস্তিন ও প্যালেইস্টাইন ৷ 
আরও যতো আছে মজলুম মুসলমান ৷ 
তাঁদের রক্ষায় তরুণ হও আগুয়ান!

ওরা তোমাদের-ই ভাই ওরা মুসলমান!
ওরা অসহায় মজলুমান৷ 
যাঁদের অশ্রুতে গগনও হচ্ছে কম্পমান৷ 
হে তরুণ ! এক্ষুণি প্রস্তুত হও,ঈমানী শক্তিতে হও বলিয়ান ৷ 
ওরা আমার ভাই ! ওরা মজলুম মুসলমান ৷ 
আর দেরি কেন ? ওঠো , যাও হে তরুণ ! 
অদম্য সাহস নিয়ে ওদেরে করো পরিত্রাণ ৷ 

এসো হে তরুণ ! 
এসো হে বিশ্ব মুসলমান ! 
এসো হে বিশ্ব মানবজন ! 
এসো আমরা হই অভেদ বন্ধন ! 
এসো আমরা সাজাই একটা নতুন স্বর্গ ভুবন ! 
এটাই ভাই আমার অভিলাষ ! 
বিশ্ব জুড়ে হয় যেন, ঘরে -ঘরে স্বর্গের আবাস৷ 
                 সমাপ্ত৷৷

রচনা কালঃ ০৫/০৫/২০১৬ ইং

বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

যে আমল করলে রহমত নাজিল হয় এবং যে কাজ করতে আল্লাহ বারণ করেছেনঃ লেখক নাঈম হোসেন

  যে আমল করলে রহমত নাজিল হয় এবং যে কাজ করতে আল্লাহ বারণ করেছেনঃ  লেখক নাঈম হোসেন  একজন মুসলমান অপর আরেকজন মুসলমানের ভাই৷ মহান আল্লাহ তাআলা ...