শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

বাণী - লেখক নাঈম হোসেন 

ইপটিজিং , হত্যা ও ধর্ষণ থেকে মুক্তির জন্য নারী সমাজকেই জাগ্রত এবং ঐক্য হতে হবে ৷ 
নীরব কান্না নয় বরং অপরাধী ও নষ্ট মানসিকতার পুরুষকে উপযুক্ত শাস্তির জন্য , সমাজের প্রতিটি স্তরে একটা করে নারীদের ঐক্য ফোরাম গঠন করতে হবে ৷
এবং এর জন্য নারী সমাজকেই উদ্বেগ নিতে হবে ৷
 

কবিতা জগাখিচুড়ি লেখক নাঈম হোসেন

জগাখিচুড়ি

নাঈম হোসেন 

আফসোস আজ
বিশ্ব আলেম সমাজ
হয়ে গেল জগাখিচুড়ি !

ধর্ম বিরোধীরা তাই সুযোগ পেল ,
ইসলামের অপকলঙ্ক ,
নিত্যানন্দে তাই ওরা বাড়িয়ে দিল ৷

ওরা অবজ্ঞা করছে ইসলাম ৷
অপদস্থ হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম ৷
ওরা হীয়মান করে দেখছে ইসলাম ও মুসলিম ৷

ওরা মুসলিমদের অপমান করে
করছে সহস্রাধিক সেনচুরী ৷
নীরব কেন ? ওহে বীর মুসলিম !
তুমি বিশ্ব বিজয়ী বীর মুসলিম !

ইমানী হিম্মৎ নিয়ে আরেকবার জেগে ওঠো তুমি !
চির ঐক্যের বিশাল ঝাণ্ডা নিয়ে আরেকবার ফিরে এসো তুমি !

ভেঙে ফেলো সকল বাঁধা ,
মোরা মুসলিম ঐক্য সদা।
ছিনিয়ে আনতে হবে  ইসলামী বিজয়ী নিশান ৷

মনে রেখ,  মুসলিম তুমি !
তোমার সাহায্যকর্তা যথেষ্ট
এক আল্লাহ সুমহান ৷

তোমার মস্তক চির উন্নত , 
তুমি নয়তো কাপুরুষ,ভীত ৷
বিপ্লবী বীর তুমি !
ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে চির আবদ্ধ তুমি !
গর্বিত আখেরি নবীর উম্মত তুমি ! 

কিসের তোমার ভয় ?
স্বয়ং আল্লাহ্‌ই যখন তোমার সহায় !

তোমরা বিপ্লবী বীর চার খলিফাদের উত্তরসূরি!
তোমাদেরকে করজোড় অনুরোধ করি !
তোমরা আর থেকোনা , জগাখিচুড়ি ৷

তবেই তোমরা ফিরে পাবে বিজয়ী নিশান !
ফের পাবে তোমরা ঐতিহ্যের সম্মান ৷
       সমাপ্ত।।
রচনাকালঃ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

 Note-

✎সব মানুষের হৃদয়েই গোপনীয় কিছু জটিল কষ্ট লুকিয়ে থাকে ,
তা কখনোই কারও সঙ্গে শেয়ার করা যায়না । আবার সহ্য করাও কষ্টকর ।
তবুও কারও সঙ্গে বলতে নেই ।
কারণ , চারপাশের মানুষগুলো হচ্ছে এমন , কষ্ট শুনে কাঁটা গায়ে লবণ ছিটিয়ে দিয়ে বিদ্রুপ করে ।
এগুলো একমাত্র জগদ্বীশ্বর সৃষ্টি কর্তার সঙ্গেই নির্জনে চোখের অশ্রু ফেলে শেয়ার করতে হয়।
কারণ তিনিই সর্ব ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি কাউকে কষ্ট দেননা মানুষের অসহ্যনীয় । 

কবি পরিচিতঃ

Add caption
কবি পরিচিত:  

নাম : মোহাম্মদ নাঈম হোসেন  ৷ জন্ম : ২০ মার্চ ১৯৮৯ ইংরেজী৷ পিতার নাম : মৃত হাফেজ মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ্৷ মাতার নাম: মোসাম্মাৎ মোর্শেদা বেগম ৷ গ্রাম- ঝাটিবুনিয়া, ওয়ার্ডনং -4, পোস্ট- সাপলেজা, থানা : মঠবাড়ীয়া , জিলা: পিরোজপুর , বিভাগ : বরিশাল ৷

 সখ: জিহাদের ময়দানে জীবনের শেষবিন্দু রক্ত উৎস্বর্গ করে ইসলাম ও স্বদেশের জন্য শহীদি মৃত কামনা ৷ 
স্মরণীয় বাণী- নিজেকে সৎ হিসেবে গঠন করো ৷ তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি দরজা দিয়ে স্বর্গীয় সুখ বিরাজ করবে ৷
Mobile No: 01726102715.
 সমাপ্ত ৷৷

বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কবিতা সত্বান্বেষী লেখক নাঈম হোসেন

সত্যান্বেষী

নাঈম হোসেন

তুমি সত্যান্বেষী  !
তুমি উদারমনা !
তুমি বীর ! তুমি বহমান!

তুমি সত্যের সৈনিক !
তুমি সাংবাদিক
মাহমুদুর রহমান।

ভাই তুমি যতটা উদারমনা !
আর যেভাবে সত্যের পথে করছ লড়াই !

কবি গর্বিত !
তোমার ন্যায় আচরণে কবি বশীভূত।

তোমাকে নিয়ে তাই
কবি করছে বড়াই৷

সত্যের পথে
অন্যায়ের প্রতিবাদে
তুমি থেক সদা অবিচল৷

সতত করি ফরিয়াদ ,
আল্লাহর কাছে তুলে দু'হাত
তোমাকে দেয় যেন আবেহায়াত।
সবকাজে  করে যেন সফল!

তুমি কলম সৈনিক হয়ে
সত্যের পথে লড়ে যাও অবিরাম৷
আল্লাহ্‌ সহায়ক তোমার
তুমি মনমরা হয়োনা ,
ন্যায় পথেই তুমি পাবে আরাম!

তোমার মতো কলম সৈনিক পেয়ে 
কবি গর্বিত৷
তুমি নন্দিত ,
হবে চিরনন্দিত ৷
সত্যের পথে এগিয়ে চলো
তুমি কভু হয়োনা ভীত ৷

প্রতিটি মায়ের উদরে জন্ম হয় যেন ,
তোমার মত উদারমনা সহস্র কলম -সৈনিক !
প্রভুর দরবারে তোমার জন্য 
কবির এই প্রার্থনা থাকবে প্রত্যহ দৈনিক ৷

পর উপকারে সকল সাংবাদিক ভাই
সদা  হও আগুয়ান ৷
কলম দিয়ে তোমরা সত্যের পথে করে যাও
দুর্বার আন্দোলন!

সাংবাদিক তোমরা প্রত্যেকে হও সত্যান্বেষী
করে যাও সত্যানুসন্ধান ৷
তোমরা প্রত‍্যেককে হও আনিসুল হক, রোজিনা, মাহমুদুর রহমান।

অন্যায়ের সকল নিগড় ভেঙে
তোমরা করে যাও
সদা সত্যেকে উন্মোচন!
  সমাপ্ত।।
রচনা কাল : ১০ জুন ২০১৬ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন


Add caption
 Note: One

☞জীবন যুদ্ধের প্রতিটি সিঁড়ি যে এতো কঠিন , কেটে উঠা বা ধৈর্য ধারণ করার মতো শক্তি মাঝেমধ্যে হারিয়ে যায় ।
জীবনটাকে যখন একদিক দিয়ে পরিপাটি করা সম্পূর্ণ হয়, ঠিক তখনই অপরদিক দিয়ে নতুন একটা ভয়ানক ঝর এসে ত্রাস লাগিয়ে দিয়ে মূহুর্তেই সবকিছু ভেঙে চূর্ণ হয়ে যায় ।
তখন বেঁচে থাকার সাহস টুকুও আর থাকে না । এ কেমন অদ্ভুত জীবন । 


বাণী লেখক নাঈম হোসেন


 Note: 
মানুষের শত্রু কোনো পশু পাখি নয়। পশু , পাখি , তরুলতা এরা হচ্ছে মানুষের প্রকৃত বন্ধু ।
মানুষের পরম শত্রু হচ্ছে মানুষ ।
আবার মানুষই হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে প্রিয়জন।
কিন্তু মানুষের কারও মধ্যে যখন পশু স্বভাব প্রবেশ করে তখন আর সে মানুষ থাকেনা ।
সে হয়ে যায় বন্য মানুষ । 


তখন তার প্রতিটি কর্মই হচ্ছে সমাজের পরতে পরতে ক্ষতি করার কামনা ।
মনুষ্য সমাজের এক শ্রেণি আছে সামান্য একটু বিষয় নিয়েই মহাক্ষ্যাপা হয়ে যুদ্ধের ডঙ্কা বাজায় এরা মানুষ নয়। এরাই হচ্ছে প্রকৃত পশু ।

 আর আমাদের পরিবেশের পশু সমাজ হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে উপকারী বন্ধু । 

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

Add caption

Note: One-

ভালোবাসার প্রতিটি সিঁড়িই বিষাক্ত কাঁটা দিয়ে গড়ানো ।
তাই সবাই সেই সিঁড়িতে প্রবেশ করতে পারেনা ।
একমাত্র অসীম সাহসী এবং প্রবল ধৈর্যশীলরা ব্যতীত । 
দুর্বল মনের মানুষগুলো প্রবেশ করলেও বেশিক্ষণ স্থির থাকতে পারেনা ।

Note: Two-

ভালোবাসার মহা সমুদ্রে সবাই সাঁতার কেটে তীরে পৌঁছতে পারে না । যাঁরা পারে তাঁরাই সৌভাগ্যবান । এদের সংখ্যা পৃথিবীতে অনেক কমই হয় ।
কারণ ভালোবাসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধৈর্য , একটু হোচট খেলেই হাজার বছরের ভালোবাসাও মুহূর্তেই সমাপ্তি হয় ।

বাণী- লেখক নাঈম হোসেন



 Note: One.


  •  ভালোবাসার পুষ্প বাগিচায় প্রবেশ করার পূর্বে , ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করার যত্ন নেওয়ার আসবাবপাত্র সঙ্গে নিয়ে যাও।
    কারণ আমি তোমাকে ভালোবাসি বা I Love You কথাটা হুঁট করে সবাই মুখে উচ্চারণ করতে পারে কিন্তু শেষমেষ কদরসহ টিকিয়ে রাখার লোক খুব কমই হয়।

 Note: two.


 সত্যিকারের প্রেম মানুষকে স্বর্গের উচ্চতর আসনে পৌঁছে দিতে পারে।
আবার নরকের নিকৃষ্টতম স্থানে পৌঁছে দিতে পারে ।

দুটোর যেকোন একটাই আপনার জন্যে উম্মুক্ত , এখন আপনি কোনটাতে প্রবেশ করতে চান সেটা আপনার মানসিকতার উপর নির্ভর করবে ।

 Note-Three


সব মানুষের হৃদয়েই গোপনীয় কিছু জটিল কষ্ট লুকিয়ে থাকে ,
তা কখনোই কারও সঙ্গে শেয়ার করা যায়না । আবার সহ্য করাও কষ্টকর ।
তবুও কারও সঙ্গে বলতে নেই ।
কারণ , চারপাশের মানুষগুলো হচ্ছে এমন , কষ্ট শুনে কাঁটা গায়ে লবণ ছিটিয়ে দিয়ে বিদ্রুপ করে ।
এগুলো একমাত্র জগদ্বীশ্বর সৃষ্টি কর্তার সঙ্গেই নির্জনে চোখের অশ্রু ফেলে শেয়ার করতে হয়।

কারণ তিনিই সর্ব ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি কাউকে কষ্ট দেননা মানুষের অসহ্যনীয় ।

কবিতা অভিলাষ(দুই)

অভিলাষ(দুই)

নাঈম হোসেন 

এমন স্বদেশপ্রেমিক আমি চাই - 
যাঁদের স্বদেশ রক্ষায় জীবন দিতে , 
কোন অজুহাত নাই ৷ 
এমন দেশপ্রেমিক আমার দেশেতে,
একজনও কী নাই?

এমন কোরআনপ্রেমিক  আমি চাই- 
যাঁদের জিহাদের ময়দানে সেচ্ছায় জীবন দিতে, 
কোন ভয় নাই  ৷ 
এমন কোরআনপ্রেমিক আমার দেশেতে,
একজনও কী নাই?

এমন একদল মুসলিম তরুণ আমি চাই।
যাঁদের ঈমানী হিম্মত দেখে নাস্তিকরা সবাই , 
ভয়ে পালাই পালাই।
ইসলাম নিয়ে কটুক্তি করবে সেই , 
সাহস কারো নাই৷ 

এমন একদল দুর্জয় তরুণ আমি চাই- 
যাঁরা দেশ ও জাতি রক্ষায় , 
সদা অটল ,অনড় আরও থাকবে অভয় ৷ 
এমন অদম্য সাহসী যুবক ,যে সতত থাকে নির্ভয়৷ 
এমন সাহসী যুবক কি একটিও নাই?

এমন একদল সাহসী সৈনিক কী,
আমার স্বাধীন বাংলাদেশে নাই ? 
তবে ,এত কেন ,সহস্রাধিক মা-বোন ধর্ষিতা হচ্ছে ,বলো ভাই ? 
মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষায় তরুণ সৈনিক কি , 
তোমরা কেউ নাই ? 

আমার দেশে কি এমন বীর শাসক কেউ নাই?
যে করবে কোরানের রাজ্য গঠন ও শাসন,
যে হবে ঈমানী শক্তিতে,সদা তেজিয়ান ৷
মুসলিমদের রক্ষায় যে করবে আত্মদান।
এমন শাসক দেশ সেবায় একজন চাই।

ঐ যে,ঐ শোন; কাঁদছে,
ইসরাঈল,কাশ্মীর!
ঐ যে ,ঐ দেখ; নদীতে ভাসছে, 
অসংখ্য লাশ মায়ানমার ৷ 
আফগান ,ফিলিস্তিন ও প্যালেইস্টাইন ৷ 
আরও যতো আছে মজলুম মুসলমান ৷ 
তাঁদের রক্ষায় তরুণ হও আগুয়ান!

ওরা তোমাদের-ই ভাই ওরা মুসলমান!
ওরা অসহায় মজলুমান৷ 
যাঁদের অশ্রুতে গগনও হচ্ছে কম্পমান৷ 
হে তরুণ ! এক্ষুণি প্রস্তুত হও,ঈমানী শক্তিতে হও বলিয়ান ৷ 
ওরা আমার ভাই ! ওরা মজলুম মুসলমান ৷ 
আর দেরি কেন ? ওঠো , যাও হে তরুণ ! 
অদম্য সাহস নিয়ে ওদেরে করো পরিত্রাণ ৷ 

এসো হে তরুণ ! 
এসো হে বিশ্ব মুসলমান ! 
এসো হে বিশ্ব মানবজন ! 
এসো আমরা হই অভেদ বন্ধন ! 
এসো আমরা সাজাই একটা নতুন স্বর্গ ভুবন ! 
এটাই ভাই আমার অভিলাষ ! 
বিশ্ব জুড়ে হয় যেন, ঘরে -ঘরে স্বর্গের আবাস৷ 
                 সমাপ্ত৷৷

রচনা কালঃ ০৫/০৫/২০১৬ ইং

বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

কবিতা অভিলাষ এক

অভিলাষ (এক)

  নাঈম হোসেন

শাহাদাতের মরণ প্রভু দিয়ো তুমি আমায়!
জিহাদের ময়দানে কবুল করো আমায়

হাজার হাজার মুসলিম ভাইদের
মারছে দুষ্ট কাফেরে।
নোঙর তোল
আঁখি খোল
অনুরোধ করছি মুসলিম তোমাদেরে
অসি হস্তে যাও ওদের উদ্ধারে।

ওরা মুসলিম ওরা আমাদের ভাই।
ওদের উপর নির্মম অত্যাচারে
আকাশ কাঁদছে
বাতাস কাঁদছে
পশুপাখি তরুলতাও কাঁদছে
ওদের আর্তনাদ আর সহ‍্য হয়নারে।
মুসলিম সবাই অসি হাতে এসো ওদের উদ্ধারে।
এসো নিপাত করি হায়েনারে।

এসো মুসলিম শাহাদাতের ময়দানে!
গুটিকয়েক কাফেরে
ঐক্য হয়ে মারছে মুসলিম ভাইদেরে।
এক এক করে সবাইকে দেখ ভাই
মারছে ওরা জনে জনে।

এসো মুসলিম ভাই!
ঐক্য হয়ে মোরা যাই 
জিহাদের ময়দানে।

হয়ত শহীদ নয়তো গাজী
এসো মুসলিম ভাই
আল্লাহর পথে করব বাজি।

আর থেকোনা ঘুমিয়ে
এবার আঁখি খোল ভাই।
সিরিয়া ইসরাইল কাশ্মীর
চলো ফিলিস্তিন যাই

রুশীয়া ইরাক মায়ানমার
চলো প‍্যালেস্টাইন যাই।

চল চল আফগানে যাই
চল চল জিহাদের সমরে যাই
যত আছে মজলুম মুসলিম ভাই
চল চল সবার উদ্ধারে যাই।
    সমাপ্ত।।
রচনাকালঃ ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কপিরাই সংরক্ষিত৷ 

কবিতা শহীদ স্মরণে




শহীদ স্মরণে 

 মোহাম্মদ নাঈম হাসান ৷

 ১৯৫২ ভাষার জন্য লড়াই করে যাঁরা দিয়ে গেলো প্রাণ ৷
 ১৯৭১ স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে যাঁরা দিয়ে গেলো প্রাণ ৷
 ওরা আমাদের ভাই !
 ওরা আমাদেরই প্রিয়জন !
 এইযে, স্বাধীন ভাষায় কথা বলি ,
 এইযে, স্বাধীনতার বিপ্লব করি ,
 এসব-ই-যে হলো , তাঁদের-ই অবদান !
 লাল সবুজের পতাকা ছিনিয়ে আনতে , 
ওরা দিয়ে গেল নিজেদের প্রাণ !
 তবু রেখে গেলো ওরা স্বদেশের সম্মান৷ 
কতো সহস্র মা যে হয়ে গেলো সন্তান হারা ৷
 কতো সহস্র শিশু যে হলো অনাথ,
 কতো বোন যে হয়ে গেলো স্বামী হারা৷
 কতজন যে হয়ে গেলো উধাত্ত ,
 কতজন যে আজও হয়ে আছে প্রিয়জন হারা ৷
 যাদের জন্য উদ্বাস্তু হলো আমার হাজারো ভাই, 
ওরা কারা ? 
ওরা পাক বাহিনী ! 
ওরা হানাদার!
 ওরা আল বদর!
 ওরা রাজাকার৷
 আজও আমরা চাই ওদের হোক উপযুক্ত শাস্তি ,
 হোক ন্যায় বিচার৷ 
ওদের এই স্বাধীন বাংলায় কভু ঠাঁই নাই ৷
 ওদের জন্যই দিতে হলো তরতাজা প্রাণ , 
শহীদ হলো আমার ত্রিশলক্ষ বোন ও ভাই ৷
 আজও নির্জনে বসে যখন অঙ্কন করি স্বাধীনতার সেই ভয়াল দৃশ্যপট !
 শিউরে উঠে আমার হৃদয়পট৷
 যেন এখনও শুনতে পাই ,
 কে আছো ভাই ? 
বাঁচাও বাঁচাও বলে ধর্ষিতা কিশোরী , 
মা- বোন ও শিশু বিকট চিৎকার করছে ৷
 আবালবৃদ্ধবনিতা বারংবার আর্তনাদ করছে৷
 আমি তখনই চপল হয়ে উঠি ৷ 
আমি ফের খড়গ হস্তে ওদের উদ্ধারে ছুটি ৷
 শহিদদের গোরস্থানে যখন গিয়ে দাঁড়াই ৷
 তখনই যেন ত্রিশলক্ষ শহিদদের রক্তের গন্ধ পাই৷
 আমি বাকহারা হয়ে চেয়ে থাকি ৷
 মুহূর্তেই স্বাধীনতার ছক হৃদয় মাঝে আঁকি৷ 
সহসাই আমার আঁখিদ্বয় হতে অশ্রু ঝরছে৷ 
যেন শুনতে পাই , 
শহীদমিনার হতে ,
শহীদেরা যেন আমায় ডেকে -ডেকে বলছে-
 হে ভাই একটা অনুরোধ শুনে নে ! 
শোন ভাই দেশের মধ্যে কভু ইঁদুর আর বল্মীক ঢুকতে দিসনে !
 মির জাফরদের জন্য সতত করবে দুর্বার আন্দোলন৷
 দেশের সেবায় সদা সবাই হবে আগুয়ান ! 
কয়েক সমুদ্র রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ,
 পেয়েছি সম্মান ! 
এ গৌরব যেন কভু হয়না ম্লান ৷
 বিলাপ কণ্ঠে অশ্রুপূর্ণ চোখে ,
 আমিও তখন কথা দিলাম ,
 যে স্বাধীনতার জন্য রক্ত-প্লাবিত হয়েছে ,
 দেশের সকল শহর ও গ্রাম ৷
 জীবনের বিনিময় হলেও ,
 রেখে যাব সে স্বাধীনতার সম্মান ৷ 
ন্যায়ের পথেই করে যাব , 
আজীবন সংগ্রাম৷ 
যে স্বাধীনতার জন্য হয়েছে দীর্ঘ ন’মাস রক্তবৃষ্টি৷ 
সে স্বাধীনতার সম্মানে রাখব সতত সু’দৃষ্টি৷ 
নই তালিম নিয়ে যুগে- যুগে লেখা হবে ইতিহাস !
সকল শহীদ স্মরণে ৷ 
অবশেষে প্রভুর দরবারে তুলে দু’হাত , 
অশ্রুরুদ্ধ-কণ্ঠে করছি মোনাজাত ! 
সকল শহীদেরে নসীব করো সর্বোত্তম জান্নাত৷ 
সমাপ্ত৷
কবি পরিচিত: 
 মোহাম্মদ নাঈম হাসান৷ পিতার নাম: মৃত, হাফেজ মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ৷ মাতার নাম: মোসাম্মাৎ মোর্শেদা বেগম৷ থানা – মঠবাড়িয়া , জিলা – পিরোজপুর৷

বাণী -নাঈম হোসেন

Add caption

 স্বরনীয় বাণীঃ- 

  • one

জীবনটা একটা গেমসের মতো , কখনও নিজেকে নিয়ে মানুষ খেলে ৷ কখনও মানুষকে নিয়ে নিজে খেলে ৷ কখনও হেরে যায় ৷ কখনও জয়ী হয় ৷



প্রেম এমন একটি বিষাক্ত কাটা ,
যা মানুষের অন্তরে কোনো ভাবে ঢুকিয়ে
পড়লে ,,
জীবন কে শেষ না হওয়া পর্যন্ত খুরতে থাকে ।
কথা টি যতই হোক তিক্ত ...বাস্তবতা ততই সত্য


কবিতা তুমি বঙ্গবন্ধু তুমি বঙ্গবীর লেখক নাঈম হোসেন

 তুমি বঙ্গবন্ধু তুমি বঙ্গবীর 

      নাঈম হোসেন 

তুমি অগণন মানুষের নয়নের মণি  ! 
তুমি স্বর্ণের চেয়েও খাঁটি সোনা, হীরক খনি।
তুমি বঙ্গবন্ধু ! তুমি বঙ্গবীর ! 
তুমি সাহসী , তুমি রণবীর৷ 
তুমি-ই বঙ্গবীর! 

তুমি শান্তিপ্রিয়, তুমি উদারমনা!
পর উপকারে অগ্রসর তুমি। 
হৃদয়ে আলপনা সদা সৎ কল্পনা।
চির উন্নত তোমার শির৷ 
তুমি ছিলে ন্যায়পরায়ণ ও দানবীর!
তুমি-ই  বঙ্গবীর৷  

১৭ মার্চ ১৯২০  ইংরাজী সনে ,
জনবন্ধু হয়ে, টুঙ্গিপাড়ার শেখ বংশে জন্ম তোমার৷ 
১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ ইংরাজী সনে , 
সকল স্বপ্ন তোমার , 
ভেঙে হলো চুরমার৷ 

গোটা বাঙালির মাঝে হঠাৎ একি এল ত্রাস?
শোকাগ্নিতে পুরো বাঙালী জাতি হলো হতাশ!
হলো উচাটন ! 
শোক কান্নায় ভিজেছে বুক, ভেঙেছে সহস্র মন।
হঠাৎ যেন হয়েছে রক্তবৃষ্টি, ভয়ে সবার হয়েছে শিহরণ। 

বাংলার আকাশ হলো অমানিশা আঁধার৷ 
এই বাংলার মাটি ও মানুষের জন্য তুমি সহ্য করেছ , 
স্বৈর-শাসকদের বিচিত্র অত্যাচার৷ 
অন‍্যায়-অনিয়ম রুখতে তুমি বারংবার লড়েছ,
তোমাকে সহ্য করতে পারেনি তাই স্বৈরচারগণ। 

তাই ওরা তোমাকে নিয়ে খেলল রক্তের হোলি! 
ন্যায়-সমরে তোমাকে হতে হলো অসময়ে বলি।
নির্মম পীড়নে ওরা তোমাকে করেছে শহীদ৷ 
বাংলার বুকে অসময়ে নেমে এল জাতীয় শোকগীত ৷ 
একাত্তরের ঘাতকদের রক্ষা নাই৷ 
আমরা ওদের সবার ফাঁসি চাই-ই-চাই ৷ 

দীর্ঘ ৫৪ বছরের জীবদ্দশায়,
একটি যুগ তুমি করেছ কারাবাস৷ 
তোমার ভক্তরা চেয়ে থাকত, মুক্তির অপেক্ষায়।
ছকবন্দী জীবন থেকে ফিরে এসে তুমি, 
কবে  দিবে স্বাধীন আবাস।
তুমি সংযমী
অন্যায়ের কাছে কভু করনি আপোষ!
তোমার ন‍্যায় বিচারে বাংলার মানুষ ছিল সন্তোষ। 

তুমি ছিলে বীর লড়াকু সৈনিক!
তুমি ছিলে আপোশহীন ও নিয়মতান্ত্রিক! 
তুমি ছিলে গণতান্ত্রিক! 
তুমি ছিলে সমাজতান্ত্রিক! 
তুমি করেছ আজীবন , 
শান্তির আন্দোলন৷ 

বারংবার বলেছ, আমরা যুদ্ধ চাইনা,
আমরা রক্ত চাইনা।
আমরা শান্তি চাই, শান্তি চাই!
এই ছিল তোমার স্লোগান৷ 
সারা বাংলার মানুষ তাই,
তোমাকে করেছে শ্রদ্ধা, দিয়েছে সম্মান। 

তুমি ছিলে বাঙালী জাতির জনক! 
তুমি ছিলে শান্তির প্রতীক! 
তুমি ছিলে পথপ্রদর্শক! 
তুমি ছিলে সুশাসক!
তুমি ছিলে স্পষ্টবাদী, তুমি আসক!
তুমি ছিলে বিক্ষুব্ধ জনতার বাসক। 

গোটা বাঙালী জাতিকে তুমি আজীবন দিয়েছ, 
সঠিক পথের দিশা৷ 
অন্যায়কারীকে তুমি শাসিয়েছ,
মুচকি হাসিতে দিয়ে ভালোবাসা।
তুমি গোটা বাঙালিকে নবীন স্বপ্ন দেখিয়েছ,
তুমি শান্তি ছড়ানো এক স্বপ্নিল আশা৷  

৭-ই' মার্চ রেসকোর্স ময়দান,
সেই স্বাধীনতার ভাষণ!
আজও কোটি তরুণ-তরুণীদের হৃদয় , প্রবর্তনা জাগায় ৷ 

আজও বিজনে , 
যখনই বসি ধ্যানে৷ 
তখনই স্ব-কর্ণে শুনি, 
৭-ই'মার্চের সেই স্বাধীনতার বিপ্লবী ধ্বনি৷ 

সত্যি-সত্যিই তুমি অদম্য, তুমি সাহসী!
তুমিই বঙ্গবীর! 
তুমি গোটা বাঙালির হিতৈষী!
একটি স্বাধীন পতাকা পেতে তুমি সতত ছিলে অধীর।
তোমার ডাকে সারা দিয়ে স্বাধীন হলো এ বাংলার।
এ স্বাধীনতা শত যুগের সাধনা তোমার। 

ওহে কালজয়ী মুজিব!
ওহে লৌহ মানব!
তোমার স্বপ্নের লাল সবুজের পতাকা,
আজ বিশ্বে পেয়েছে মান।
স্বাধীন বাংলা রক্ষা করিতে মেরেকা,
করেছি পণ, জীবন করিব দান । 

তোমার বাবা হয়ে ধন্য শেখ লুৎফর রহমান৷ 
মা হয়ে ধন্য সায়েরা খাতুন৷ 
তুমি পরাধীন বাঙালী জাতির মুক্তিদাতা৷ 
ধন্য তুমি , ধন্য তোমার পুরো পরিবার , ধন্য তোমার পিতা-মাতা৷ 

টুঙ্গিপাড়ার সেই খোকা থেকে, তুমি
আজও বঙ্গবন্ধু৷
রাজনীতিতে রেখে গেলে তুমি ,
আজীবন স্মরণীয় অবদান ৷ 
প্রতিপদে তোমার পদাঙ্ক আওয়ামীলীগ করছে অনুসরণ৷ 
তোমার দেখানো পথে হেঁটেই  আওয়ামীলীগ হলো জনবন্ধু ৷ 

১৯৪৭ সালের ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করেই,
জনসেবায় তুমি দিলে উদারমন ৷
১৯৪৮ সালে এসেই, 
ছাত্রলীগ করলে গঠন ৷ 

১৯৪৯ সালের ২৩ শে জুন,
মুসলিমলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের সম্মান , 
তুমি করলে অর্জন ৷ 
১৯৫২ তে এসে করলে তুমি ভাষা আন্দোলন৷

১৯৫৪ তে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রীসভার,
তুমিই পেলে স্হান৷ 
১৯৫৮ তে করলে তুমি আইয়ুব খানের,
সামরিক আন্দোলন৷ 

বাষট্টিতে করলে তুমি শিক্ষা আন্দোলন৷ 
১৯৬৬ সালের পাঁচ ফেব্রুয়ারি সবাই মিলে,
আমাদের বাঁচার দাবি ৬ দফা ঘোষণা দিলে৷ 
১৯৬৯ সালে করলে গণ-অভ্যুত্থান ৷ 
অবশেষে কারামুক্ত হলে,
বঙ্গবন্ধু চির-উপাধির পেলে সম্মান ৷ 

১৯৭০ সালে আওয়ামীলীগ বিজয়ী হলে, 
সেখানেও তোমার অবদান৷ 
পেলে তুমি মহাসম্মান ৷ 
একাত্তরের মার্চে তুমি করলে , 
নজির-বিহীন অসহযোগ-আন্দোলন৷ 

৭- ই মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান,
জনসমুদ্রের সামনে তুমি দিলে ,
ঐতিহাসিক এক ভাষণ৷ 
এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম৷ 
এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম৷ 
অবশেষে জয় বাংলার দিলে স্লোগান। 

সেই ভাষণ শুনি
বাংলার মানুষ সাড়া দেয় তখনি।
লক্ষ জনতা হলো রণোদ্যত!
গোটা বাঙালী জাতি হলো রণমত্ত! 

অবশেষে ২৬ শে মার্চ শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ ৷ 
পাক বাহিনীর সঙ্গে বাঙালী জাতির হলো লড়াই , হলো তুমুল যুদ্ধ ৷ 
দীর্ঘ ন'মাস পরে বাঙালী জাতি পেল স্বাধীনতা৷ 
আজও গোটা বাঙালী স্বাধীন ভাষায়-ই বলছি সেই কথা৷ 

আরও পেলে কত সম্মাননা, পদক পুরস্কার 
১৯৭৩ জুলিও ক‍্যুরি শান্তি পুরস্কার 
২০০৩ স্বাধীনতা পুরস্কার 
২০২০ গান্ধী শান্তি পুরস্কার 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট , এক কালরাতে, 
স্বাধীনতা অর্জনের সাড়ে তিন বছরের মধ্য নিজ বাসভবন , 
একাত্তরের ঘাতকের হাতে, 
তোমার হল জীবনাবসান ৷ 
স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠন, 
তোমার আর হলোনা পূরণ। 
আল্লাহ্‌ তোমায় নসীব করুক বেহেশত্ দান ৷ 

তুমি স্বদেশ প্রেমিক ৷ 
তুমি রণসৈনিক ৷ 
তুমি জনবন্ধু ৷ 
তুমি বঙ্গবন্ধু৷ 
তুমি সাহসী তুমি-ই বঙ্গবীর৷
আজীবন স্বাধীন বাংলার তুমি শ্রেষ্ঠ আমীর৷ 
  সমাপ্ত৷৷ 
রচনাকালঃ ১৫ আগষ্ট ২০১২ ইং

বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত

বাণী -নাঈম হোসেন

বাণী - লেখক নাঈম হোসেন 


জীবনকে গঠন করো নিজের মতো করে ৷
দেশ প্রেমিক হও দেশ দ্রোহী নয় ,
মানবের পরম বন্ধু হও , শত্রু নয় ৷
কিন্তু অসৎ এবং  অধমের কাছেও যেওনা ৷ 
এতে ব্যক্তিত্ব নষ্ট হয় ৷

নাঈম হোসেন ৷

ভালোবাসার মহাসমুদ্রগুলো বিষাক্ত পানি দিয়ে পূর্ণ ,
তাই যেদিক দিয়ে গড়িয়ে যায় সেইদিকটাই মৃত্যুর প্রহরে ছটফট করে । 

মোঃ নাঈম হোসেন ৷ 

আরও পড়ুনঃ 

My short cv.

Add caption
RESUM OF NAIM HOSSEN.

  • personal information.

যে আমল করলে রহমত নাজিল হয় এবং যে কাজ করতে আল্লাহ বারণ করেছেনঃ লেখক নাঈম হোসেন

  যে আমল করলে রহমত নাজিল হয় এবং যে কাজ করতে আল্লাহ বারণ করেছেনঃ  লেখক নাঈম হোসেন  একজন মুসলমান অপর আরেকজন মুসলমানের ভাই৷ মহান আল্লাহ তাআলা ...