শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

বাণী - লেখক নাঈম হোসেন 

ইপটিজিং , হত্যা ও ধর্ষণ থেকে মুক্তির জন্য নারী সমাজকেই জাগ্রত এবং ঐক্য হতে হবে ৷ 
নীরব কান্না নয় বরং অপরাধী ও নষ্ট মানসিকতার পুরুষকে উপযুক্ত শাস্তির জন্য , সমাজের প্রতিটি স্তরে একটা করে নারীদের ঐক্য ফোরাম গঠন করতে হবে ৷
এবং এর জন্য নারী সমাজকেই উদ্বেগ নিতে হবে ৷
 

কবিতা জগাখিচুড়ি লেখক নাঈম হোসেন

জগাখিচুড়ি

নাঈম হোসেন 

আফসোস আজ
বিশ্ব আলেম সমাজ
হয়ে গেল জগাখিচুড়ি !

ধর্ম বিরোধীরা তাই সুযোগ পেল ,
ইসলামের অপকলঙ্ক ,
নিত্যানন্দে তাই ওরা বাড়িয়ে দিল ৷

ওরা অবজ্ঞা করছে ইসলাম ৷
অপদস্থ হচ্ছে বিশ্ব মুসলিম ৷
ওরা হীয়মান করে দেখছে ইসলাম ও মুসলিম ৷

ওরা মুসলিমদের অপমান করে
করছে সহস্রাধিক সেনচুরী ৷
নীরব কেন ? ওহে বীর মুসলিম !
তুমি বিশ্ব বিজয়ী বীর মুসলিম !

ইমানী হিম্মৎ নিয়ে আরেকবার জেগে ওঠো তুমি !
চির ঐক্যের বিশাল ঝাণ্ডা নিয়ে আরেকবার ফিরে এসো তুমি !

ভেঙে ফেলো সকল বাঁধা ,
মোরা মুসলিম ঐক্য সদা।
ছিনিয়ে আনতে হবে  ইসলামী বিজয়ী নিশান ৷

মনে রেখ,  মুসলিম তুমি !
তোমার সাহায্যকর্তা যথেষ্ট
এক আল্লাহ সুমহান ৷

তোমার মস্তক চির উন্নত , 
তুমি নয়তো কাপুরুষ,ভীত ৷
বিপ্লবী বীর তুমি !
ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে চির আবদ্ধ তুমি !
গর্বিত আখেরি নবীর উম্মত তুমি ! 

কিসের তোমার ভয় ?
স্বয়ং আল্লাহ্‌ই যখন তোমার সহায় !

তোমরা বিপ্লবী বীর চার খলিফাদের উত্তরসূরি!
তোমাদেরকে করজোড় অনুরোধ করি !
তোমরা আর থেকোনা , জগাখিচুড়ি ৷

তবেই তোমরা ফিরে পাবে বিজয়ী নিশান !
ফের পাবে তোমরা ঐতিহ্যের সম্মান ৷
       সমাপ্ত।।
রচনাকালঃ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

বাণী লেখক নাঈম হোসেন

 Note-

✎সব মানুষের হৃদয়েই গোপনীয় কিছু জটিল কষ্ট লুকিয়ে থাকে ,
তা কখনোই কারও সঙ্গে শেয়ার করা যায়না । আবার সহ্য করাও কষ্টকর ।
তবুও কারও সঙ্গে বলতে নেই ।
কারণ , চারপাশের মানুষগুলো হচ্ছে এমন , কষ্ট শুনে কাঁটা গায়ে লবণ ছিটিয়ে দিয়ে বিদ্রুপ করে ।
এগুলো একমাত্র জগদ্বীশ্বর সৃষ্টি কর্তার সঙ্গেই নির্জনে চোখের অশ্রু ফেলে শেয়ার করতে হয়।
কারণ তিনিই সর্ব ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি কাউকে কষ্ট দেননা মানুষের অসহ্যনীয় । 

কবি পরিচিতঃ

Add caption
কবি পরিচিত:  

নাম : মোহাম্মদ নাঈম হোসেন  ৷ জন্ম : ২০ মার্চ ১৯৮৯ ইংরেজী৷ পিতার নাম : মৃত হাফেজ মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ্৷ মাতার নাম: মোসাম্মাৎ মোর্শেদা বেগম ৷ গ্রাম- ঝাটিবুনিয়া, ওয়ার্ডনং -4, পোস্ট- সাপলেজা, থানা : মঠবাড়ীয়া , জিলা: পিরোজপুর , বিভাগ : বরিশাল ৷

 সখ: জিহাদের ময়দানে জীবনের শেষবিন্দু রক্ত উৎস্বর্গ করে ইসলাম ও স্বদেশের জন্য শহীদি মৃত কামনা ৷ 
স্মরণীয় বাণী- নিজেকে সৎ হিসেবে গঠন করো ৷ তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি দরজা দিয়ে স্বর্গীয় সুখ বিরাজ করবে ৷
Mobile No: 01726102715.
 সমাপ্ত ৷৷

বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

কবিতা সত্বান্বেষী লেখক নাঈম হোসেন

সত্যান্বেষী

নাঈম হোসেন

তুমি সত্যান্বেষী  !
তুমি উদারমনা !
তুমি বীর ! তুমি বহমান!

তুমি সত্যের সৈনিক !
তুমি সাংবাদিক
মাহমুদুর রহমান।

ভাই তুমি যতটা উদারমনা !
আর যেভাবে সত্যের পথে করছ লড়াই !

কবি গর্বিত !
তোমার ন্যায় আচরণে কবি বশীভূত।

তোমাকে নিয়ে তাই
কবি করছে বড়াই৷

সত্যের পথে
অন্যায়ের প্রতিবাদে
তুমি থেক সদা অবিচল৷

সতত করি ফরিয়াদ ,
আল্লাহর কাছে তুলে দু'হাত
তোমাকে দেয় যেন আবেহায়াত।
সবকাজে  করে যেন সফল!

তুমি কলম সৈনিক হয়ে
সত্যের পথে লড়ে যাও অবিরাম৷
আল্লাহ্‌ সহায়ক তোমার
তুমি মনমরা হয়োনা ,
ন্যায় পথেই তুমি পাবে আরাম!

তোমার মতো কলম সৈনিক পেয়ে 
কবি গর্বিত৷
তুমি নন্দিত ,
হবে চিরনন্দিত ৷
সত্যের পথে এগিয়ে চলো
তুমি কভু হয়োনা ভীত ৷

প্রতিটি মায়ের উদরে জন্ম হয় যেন ,
তোমার মত উদারমনা সহস্র কলম -সৈনিক !
প্রভুর দরবারে তোমার জন্য 
কবির এই প্রার্থনা থাকবে প্রত্যহ দৈনিক ৷

পর উপকারে সকল সাংবাদিক ভাই
সদা  হও আগুয়ান ৷
কলম দিয়ে তোমরা সত্যের পথে করে যাও
দুর্বার আন্দোলন!

সাংবাদিক তোমরা প্রত্যেকে হও সত্যান্বেষী
করে যাও সত্যানুসন্ধান ৷
তোমরা প্রত‍্যেককে হও আনিসুল হক, রোজিনা, মাহমুদুর রহমান।

অন্যায়ের সকল নিগড় ভেঙে
তোমরা করে যাও
সদা সত্যেকে উন্মোচন!
  সমাপ্ত।।
রচনা কাল : ১০ জুন ২০১৬ইং
বিশেষ দ্রষ্টব্য : কপিরাইট সংরক্ষিত ৷ 

বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

বাণী লেখক নাঈম হোসেন


Add caption
 Note: One

☞জীবন যুদ্ধের প্রতিটি সিঁড়ি যে এতো কঠিন , কেটে উঠা বা ধৈর্য ধারণ করার মতো শক্তি মাঝেমধ্যে হারিয়ে যায় ।
জীবনটাকে যখন একদিক দিয়ে পরিপাটি করা সম্পূর্ণ হয়, ঠিক তখনই অপরদিক দিয়ে নতুন একটা ভয়ানক ঝর এসে ত্রাস লাগিয়ে দিয়ে মূহুর্তেই সবকিছু ভেঙে চূর্ণ হয়ে যায় ।
তখন বেঁচে থাকার সাহস টুকুও আর থাকে না । এ কেমন অদ্ভুত জীবন । 


বাণী লেখক নাঈম হোসেন


 Note: 
মানুষের শত্রু কোনো পশু পাখি নয়। পশু , পাখি , তরুলতা এরা হচ্ছে মানুষের প্রকৃত বন্ধু ।
মানুষের পরম শত্রু হচ্ছে মানুষ ।
আবার মানুষই হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে প্রিয়জন।
কিন্তু মানুষের কারও মধ্যে যখন পশু স্বভাব প্রবেশ করে তখন আর সে মানুষ থাকেনা ।
সে হয়ে যায় বন্য মানুষ । 


তখন তার প্রতিটি কর্মই হচ্ছে সমাজের পরতে পরতে ক্ষতি করার কামনা ।
মনুষ্য সমাজের এক শ্রেণি আছে সামান্য একটু বিষয় নিয়েই মহাক্ষ্যাপা হয়ে যুদ্ধের ডঙ্কা বাজায় এরা মানুষ নয়। এরাই হচ্ছে প্রকৃত পশু ।

 আর আমাদের পরিবেশের পশু সমাজ হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে উপকারী বন্ধু । 

যে আমল করলে রহমত নাজিল হয় এবং যে কাজ করতে আল্লাহ বারণ করেছেনঃ লেখক নাঈম হোসেন

  যে আমল করলে রহমত নাজিল হয় এবং যে কাজ করতে আল্লাহ বারণ করেছেনঃ  লেখক নাঈম হোসেন  একজন মুসলমান অপর আরেকজন মুসলমানের ভাই৷ মহান আল্লাহ তাআলা ...